ঢাকা, রবিবার, ১৭ই জানুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৩রা মাঘ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

বিশ্বকাপ সুপার লিগের আদ্যোপান্ত ও বাংলাদেশের সম্ভাবনা

২০২৩ বিশ্বকাপকে মাথায় রেখে ‘ভিশন ২০২৩’ হাতে নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। হাতে আছে অন্তত আড়াই বছর। এ সময়ে ওয়ানডের সেরা দল তৈরি করে বিশ্বকাপের জন্য প্রস্তুত রাখতে চায় দেশের ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

যার শুরুটা হচ্ছে আসন্ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ দিয়ে। পাশাপাশি এ সিরিজ দিয়ে বাংলাদেশ শুরু করতে যাচ্ছে ‘আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ সুপার লিগ’। সোজা ভাষায়, ২০২৩ বিশ্বকাপে সরাসরি অংশগ্রহণ করার লড়াই। আগামী দুই বছরে ২৪টি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে বাংলাদেশ, সরাসরি খেলতে হলে জিততে হবে অন্তত ১৭ ম্যাচ। তাহলে র‌্যাংকিংয়ে সেরা আটে থাকার সুযোগ হবে। নয়তো বাছাই পর্ব পেরিয়ে নাম লেখাতে হবে বিশ্বকাপে।

সরাসরি বিশ্বকাপ খেলার আদ্যোপান্ত ও বাছাই প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত জানাচ্ছে

আইসিসি ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ সুপার লিগ কী?

টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ আগে শুরু করেছে আইসিসি। যার ফলে টেস্ট ক্রিকেটের প্রতি মানুষের আকর্ষণ আগের থেকে অনেকটাই বেড়েছে। ওয়ানডে ক্রিকেটের উন্মাদনা বাড়াতে আইসিসি চালু করেছে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ সুপার লিগ। বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ামক সংস্থার সিদ্ধান্ত, টেস্টের ধাঁচেই ১৩ দলের ওয়ানডে সুপার লিগ শুরু করা হবে। গত বছর ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের ওয়ানডে দিয়ে প্রতিযোগিতা শুরুও হয়েছে। পাশাপাশি ম্যাচ খেলেছে অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে ও ভারতও।

সুপার লিগের উদ্দেশ্য?

ওয়ানডে ক্রিকেটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়াতে ও সবগুলো দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সিরিজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আইসিসি চালু করেছে ক্রিকেট ওয়ার্ল্ড কাপ সুপার লিগ। ভারতে হতে যাওয়া ২০২৩ বিশ্বকাপে ১০ দল অংশ নেবে। আয়োজক দেশ হিসেবে সরাসরি বিশ্বকাপ খেলবে ভারত। ৭ দল বেছে নেওয়া হবে সুপার লিগ থেকে। সুপার লিগের পয়েন্ট টেবিলের প্রথম ৭ দল সরাসরি বিশ্বকাপের ছাড়পত্র পাবে। সেই ৭ দলের মধ্যে ভারত থাকলে আট নম্বর দল বিশ্বকাপের টিকিট পাবে। বাকি দুই জায়গার জন্য সুপার লিগের শেষে থাকা দলগুলো কোয়ালিফায়ার টুর্নামেন্টে মুখোমুখি হবে সহযোগী দেশগুলোর।