ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

পশ্চিমা দেশগুলোকে উদ্দেশ্য করে পুতিনের হুংকার

পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোকে উদ্দেশ্য করে বুধবার হুংকার দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি জানিয়েছেন রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যকার যুদ্ধে কেউ যদি নাক গলাতে আসে কিংবা হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ গতিতে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। খবর বিবিসি’র।

পুতিন বলেছেন, ‘যুদ্ধ করার জন্য আমাদের যেসব টুলস আছে সেগুলো আর কারও নেই। এসব বিষয় নিয়ে কেউ দম্ভ করতে পারবে না। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে সেসব টুলস আমরা ব্যবহার করবো। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে কেউ যদি হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিদ্যুৎ গতিতে সামরিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মূলত সম্প্রতি পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলো ইউক্রেনকে সমর্থন দিয়ে নানাবিধ সামরিক সহায়তা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়ার পর এমন হুংকার দিলেন পুতিন।

মঙ্গলবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স সেক্রেটারি লয়োড অস্টিন জানিয়েছেন, যুদ্ধে রাশিয়াকে পরাজিত করতে ইউক্রেনকে সব ধরনের সহযোগিতা তারা দিয়ে যাবে। সেটার জন্য তারা যেকোনো কিছু করতেও প্রস্তুত।

অন্যদিকে জার্মানি ঘোষণা দিয়েছে তারা ইউক্রেনকে ৫০টি অ্যান্টি-এয়ারক্রাফট ট্যাঙ্ক দিবে। যুক্তরাজ্য জানিয়েছে তারা ইউক্রেনকে দিবে ফাইটার জেট। তাদের এসব ঘোষণার পরই পুতিন এমন হুংকার দিলেন।

এদিকে চলতি সপ্তাহের শুরুতে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ পশ্চিমা বিশ্বের দেশগুলোর এমন অতি উৎসাহকে আগুনে ঘি ঢালার সঙ্গে তুলনা করেছিলেন। তিনি এও জানিয়েছেন এই ধরনের উদ্যোগ তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ ডেকে আনবে।

ইউরোপের যেসব দেশ রাশিয়ার প্রতি বন্ধুপ্রতীম আচরণ করছে না, তাদের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার থেকে ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে ক্রেমলিন। ইতোমধ্যে পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দিয়েছে রাশিয়ার এনার্জি কোম্পানি গাজপ্রোম। যেসব দেশ গ্যাসের মূল্য রুশ রুবলে দিতে অস্বীকার করবে তাদেরই গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাশিয়া।