ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

প্রকৌশলীদের দেশের টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখতে হবে: রাষ্ট্রপতি

প্রকৌশলীদের অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতার প্রয়োগ ঘটিয়ে দেশের টেকসই উন্নয়নে অবদান রাখার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি)-এর ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’ উপলক্ষে শুক্রবার এক বাণীতে এ আহ্বান জানান তিনি।

আইইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘ইঞ্জিনিয়ার্স ডে’ উপলক্ষে দেশের সব প্রকৌশলীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেন, দেশের প্রযুক্তি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে প্রকৌশলীদের ভূমিকা অপরিসীম। প্রকৌশল শিক্ষার বিকাশ, মান নিয়ন্ত্রণ, প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, উচ্চতর প্রকৌশল শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে দেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে আইইবি প্রশংসনীয় ভূমিকা রাখছে।

তিনি বলেন, জাতীয় উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের প্রতিটি পদক্ষেপে প্রকৌশলীদের মেধা-মনন এবং শ্রম-ঘাম জড়িয়ে রয়েছে।

বিশ্বায়নের এই যুগে প্রযুক্তি ও প্রকৌশল জ্ঞানের বিকাশ ব্যতীত সামগ্রিক উন্নয়ন অসম্ভব একথা উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে প্রকৌশল শিক্ষায় প্রতিনিয়ত পরিবর্তন আসছে। যুক্ত হচ্ছে নিত্যনতুন উদ্ভাবন ও জ্ঞান। বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে দেশের প্রকৌশলীদের প্রকৌশল ও প্রযুক্তিবিদ্যায় সর্বশেষ জ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পর্কে অবহিত থাকা আবশ্যক।

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের টেকসই উন্নয়নে প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে আইইবি’র নিরন্তর প্রয়াস অব্যাহত থাকবে।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ একটি দেশে পরিণত করতে সরকার ‘রূপকল্প-২০২১’ ঘোষণা করেছে। প্রণীত হয়েছে ডেল্টা প্ল্যান-২১০০। বাস্তবায়িত হচ্ছে পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুদ্রবন্দর ও কর্ণফুলী টানেলের মতো মেগা প্রকল্প।

তিনি বলেন, সরকারের এসব মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে প্রকৌশলীদের ব্যাপক অবদান রাখার সুযোগ রয়েছে।