ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ৮ই ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২৩শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আগের দামেই অধিকাংশ পণ্য

সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে দাম বেড়েছে চিনি, মুরগি ও সবজির দাম। এছাড়া অপরিবর্তিত আছে অধিকাংশ পণ্যের দাম। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এসব তথ্য জানা গেছে।
সরেজমিন দেখা গেছে, বাজারে কেজিতে সবজির দাম ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। শসা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। লম্বা বেগুনের কেজি ৮০ টাকা। গোল বেগুন ৯০-১০০ টাকা। টমেটো ১৩০ টাকা, সিমের কেজি ২৪০ টাকা। করলা ৮০ টাকা, চাল কুমড়া ৬০ টাকা, লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, চিচিঙ্গা ৬০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, ঢেঁড়স ৭০ টাকা, কচুর লতি ৮০ টাকা, পেঁপের কেজি ৪০ টাকা, বটবটির কেজি ‌৮০ টাকা, ধুনধুলের কেজি ৬০ টাকা।

বাজারে কাঁচামরিচের কেজি ৮০ টাকা। এছাড়া কাঁচকলার হালি ৫০, লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়। শুকনা মরিচের কেজি ৪০০-৪৫০ টাকা।

সবজি বিক্রেতা মো. আল-আমিন বলেন, সাপ্লাই কম থাকায় সবজির দাম বেড়েছে। বাজারে সরবরাহ বাড়লে আবার দাম কমে যাবে।

এদিকে বাজারে আলু বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকায়। পেঁয়াজের দাম কমেছে। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। ভারতীয় পেঁয়াজ ৪৫ টাকা। দেশি রসুনের কেজি ৪০-৪৫ টাকা, চায়না রসুন ১৪৫-১৫০ টাকা। আদা বিক্রি হচ্ছে ৯০-১১০ টাকায়।

বেড়েছে চিনির দামও। খোলা চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি ১০০ টাকা। আগে খোলা চিনির কেজি ছিল ৯০ টাকা, প্যাকেট চিনি ৯৫ টাকা। এছাড়া লালা চিনি বিক্রি হচ্ছে ১০৫ টাকায়। দেশি মুশুরের ডালের কেজি ১৩০ টাকা। ইন্ডিয়ান মুশুরের ডালের কেজি ১০০ টাকায়। লবণ বিক্রি হচ্ছে ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়। ভোজ্যতেল বিক্রি হচ্ছে ১৯৫ টাকায়।

আগের দামে বিক্রি হচ্ছে ডিম। ফার্মের মুরগির লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকা। হাঁসের ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৯০-২১০ টাকা। দেশি মুরগির ডিমের ডজন ২১০ টাকা। ডিম বিক্রেতা মো. আশিক বলেন, গত সপ্তাহের দামেই বিক্রি হচ্ছে ডিম। পাড়া-মহল্লার দোকানে লাল ডিমের ডজনে ৫ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে গরুর মাংসের কেজি ৬৮০-৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০০ টাকায়। ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। ব্রয়লার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০-১৮০ টাকায়। সোনালি মুরগি ৩০০-৩২০ ও লেয়ার মুরগির কেজি ২৭০-২৮০ টাকা। মুরগি বিক্রেতা রুবেল বলেন, ফার্মের মালিকরা খাবারের দাম বেড়ে যাওয়ার অজুহাতে মুরগির দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।