ঢাকা, শনিবার, ৩রা ডিসেম্বর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১৮ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শে দেশ গড়ার উদ্যোগ নিয়েছি: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান আমরা কখনোই ভুলি না। তাই বাংলাদেশকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও আদর্শে গড়ে তোলার উদ্যোগ নিয়েছি।
সোমবার সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা অবহেলিত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সন্ধান করছি। মুক্তিযোদ্ধা ভাতাসহ তাদের সুবিধাগুলো নিশ্চিত করতে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। এছাড়া মৃত্যুর পর তাদের রাষ্ট্রীয় সম্মানের ব্যবস্থা করেছি।

তিনি আরো বলেন, যারা আমার বাবার ডাকে সাড়া দিয়ে অস্ত্র তুলে নিয়ে এদেশ স্বাধীন করেছেন তাদের সম্মান করা, মর্যাদা দেওয়াই আমাদের কাজ। তাদের অবদান কখনো ছোট করে দেখিনি, অবহেলা করিনি। আমরা বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান চিরকাল মনে রাখবো। আমরা মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষায় কাজ করছি।

শেখ হাসিনা বলেন, মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি দেখে বিজয়ের ইতিহাস জানতে পারলে তরুণ প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হবে। কীভাবে দেশের জন্য কাজ করতে হয় তা জানবে। এ লক্ষ্যে সরকার প্রতিটি উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করছে এবং ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, যেখানে জাতির পিতা ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ দিয়েছিলেন, পাক বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল, সেটি সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

সরকারপ্রধান বলেন, ভবিষ্যতে কেউ কখনো বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করবে না। তাদের পরিবারকে অবহেলার চোখে দেখবে না। সরকার বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা বৃদ্ধি করেছে। এ প্রক্রিয়া প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে অব্যাহত থাকবে।