ঢাকা, রবিবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৩০শে আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সর্বজনীন পেনশন স্কিম বাস্তবায়নে ডামুড্যায় অবহিতকরণ সভা

কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের হল রুমে সর্বজনীন পেনশন স্কিম বিষয়ক অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বাচ্ছু মাদবর এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাছিবা খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ডামুড্যা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদ গোলন্দাজ , কনেশ্বর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন সরদার , ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গিয়াসউদ্দিন খান, কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রতিনিধি গন,বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক সহ সভায় সকল শ্রেনী-পেশার লোকজন অংশগ্রহণ করেন।এছাড়াও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, এনজিও প্রতিনিধি, মুক্তিযোদ্ধাগণ, শিক্ষকবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী, সুশীল সমাজসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান অতিথি বক্তব্যে ডামুড্যা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাছিবা খান বলেন, সরকার সর্বজনীন যে সকল পেনশন স্কিম চালু করেছে, তার মধ্যে বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরতদের জন্য প্রবাস স্কিম, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য প্রগতি স্কিম চালু করেছে। তাছাড়া কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতিদের জন্য সুরক্ষা স্কিম এবং দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা যাদের আয় সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা, তাদের জন্য সমতা স্কিম চালু করেছে। এসব পেনশন স্কিমে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী জাতীয় পরিচয়পত্রধারী সকল বাংলাদেশি নাগরিক নিবন্ধন করতে পারবেন। স্কিমে অংশ নেওয়ার তারিখ থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে ১০ বছর চাঁদা দিতে হবে। ১০ বছর চাঁদা দেওয়া শেষ হওয়ার পর থেকে আজীবন পেনশন পাবেন চাঁদাদাতারা। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় থাকা ব্যক্তিরাও সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা সমর্পণ করে পেনশন স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান বাচ্ছু মাদবর বলেন, যে কোনো স্কিমে নিবন্ধিত হওয়ার পর পেনশন কর্তৃপক্ষ ধার্যকৃত হারে নিয়মিত চাঁদা দিতে হবে। পেনশন কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত ব্যাংক হিসাবে মাসিক চাঁদা জমা দেওয়া যাবে। প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনলাইন ব্যাংকিং, ক্রেডিটবা ডেবিট কার্ডের মাধ্যমে চাঁদা জমা দিতে পারবেন। ব্যাংকের পাশাপাশি নগদ, বিকাশসহ যে কোনো মোবাইলে আর্থিক সেবা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমেও চাঁদা পরিশোধের সুযোগ রয়েছে।