ঢাকা, বুধবার, ২২শে মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ, ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

এপ্রিলেই মুক্তি পেতে পারেন ইমরান খান!

চলতি মাসেই মুক্তি পেতে পারেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। এমনটাই আশা করছেন তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতারা। দলটির সিনিয়র নেতা লতিফ খোসা এ বিষয়ে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

রোববার (৭ এপ্রিল) পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজের প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

‘নয়া পাকিস্তান’ নামে সংবাদমাধ্যমটির একটি অনুষ্ঠানে লতিফ খোসা জোর দিয়ে বলেন, ‘আমি এটি নিশ্চিত করে বলছি যে, পিটিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতাকে (ইমরান খান) এই এপ্রিলেই মুক্তি দেওয়া হবে।’

ইমরান খানের মুক্তির বিষয়ে সরকার-সেনাবাহিনীর সঙ্গে কোনো সমঝোতা হয়েছে কি না—এমন এক প্রশ্নের জবাবে পিটিআইয়ের এ সিনিয়র নেতা বলেন, ইমরান খানের মুক্তি কোনো সমঝোতার অংশ হিসেবে হচ্ছে—এমনটা ভাবা অন্যায়।

পিটিআই প্রতিষ্ঠাতার বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর মধ্যে সাইফার মামলা ও ইদ্দত মামলার বিষয়ে খোসা জানান, এগুলোর আসলে ভিত্তি নেই। তিনি বলেন, ‘সাইফার মামলায় আদালত ইতোমধ্যেই সেই কথিত “সাইফার কোথায় আছে” সেই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করেছে। আর ইদ্দত মামলাটি একটি লজ্জাজনক বিষয়।’

এর আগে, চলতি মাসের শুরুর দিকে ইসলামাবাদ হাইকোর্ট ইমরান খান ও তাঁর স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে থাকা তোশাখানা মামলার ১৪ বছরের কারাদণ্ডাদেশ স্থগিত করেছেন। একই সঙ্গে, ঈদের পর এই মামলার শুনানির দিনক্ষণ নির্ধারণ করেছেন।

তবে তোশাখানা মামলায় কারাদণ্ডে স্থগিতাদেশ পেলেও ইমরান খান এখনো কারাগারে বন্দী। কারণ, সাইফার মামলা, আরেকটি তোশাখানা মামলা ও সন্ত্রাসবাদী মামলার পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা দণ্ডাদেশ ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকায় তিনি এখনো কারাবন্দী।

এক অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে ২০২২ সালের এপ্রিলে ইমরান খানকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। সে সময় ইমরান খান ও পিটিআই নেতারা অভিযোগ করেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে তাদের ক্ষমতাচ্যুত করেছে সেনাবাহিনী। পরে ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে ইমরান খানকে তোশাখানা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁকে সাইফার ও ইদ্দত মামলায়ও অভিযুক্ত করা হয়। এসব মামলায় ইমরান খানকে দণ্ড দেওয়া হয়েছে। এসব মামলায় ইমরান খানের আপিল আবেদন পেন্ডিং অবস্থায় আছে।