ঢাকা, রবিবার, ২৮শে নভেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ

হাতি হত্যা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপের নির্দেশ হাইকোর্টের

হাতি হত্যা বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত হাতি হত্যা বন্ধে জনসচেতনতা বাড়াতে তথ্য মন্ত্রণালয়কে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি রুলও জারি করেছেন আদালত।
রুলে বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুসারে ১২টি এলিফ্যান্ট করিডোরকে সংরক্ষিত করিডোর হিসেবে ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশের কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না? এবং হাতি হত্যা বন্ধে বিবাদীদের নিষ্ক্রিয়তাকে কেন বেআইনি ঘোষণা করা হবে? তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

পরিবেশ সচিব, তথ্য সচিব, আইন সচিব, বন অধিদফতরের মহাপরিচালক, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট ২১ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সোমবার জনস্বার্থে আনা এক রিটের শুনানি নিয়ে বিচারপতি এম, ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

রিট আবেদনের পক্ষে আইনজীবী খান খালিদ আদনান সাংবাদিকদের আদালতের আদেশের বিষয়টি জানান। তিনি আরো বলেন, বন অধিদফতর থেকে জরিপ করে বন্য হাতি চলাচলের জন্য ১২টি করিডোর নির্ধারণ করেছে। কিন্তু ঐসব করিডোর এখনও বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন ২০১২ অনুসারে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়নি। যে কারণে বন্য হাতির চলাচলের জায়গায় মানুষজন বাড়ি-ঘর বানাচ্ছে। এতে হাতির চলাচলের বিঘ্ন ঘটায় হাতি সেগুলো ভাঙচুর করে।

অন্যদিকে মানুষ বন্য হাতিকে বিভিন্নভাবে হত্যা করছে। এভাবেই হাতি ও মানুষের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়।

গতকাল রোববার চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বন্য হাতি হত্যা বন্ধে নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ওয়াইল্ড লাইফ অ্যাক্টিভিস্ট আদনান আজাদ, ফারজানা ইয়াসমিন ও খান ফাতিম হাসান হাইকোর্টে রিট করেন।