ঢাকা, বুধবার, ৫ই অক্টোবর, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে আশ্বিন, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

আফগানদের উড়িয়ে ১০১ রানের বড় জয় ভারতের

ফাইনালের দৌঁড় থেকে এরই মধ্যে ছিটকে গেছে আফগানিস্তান ও ভারত। সুপার ফোরের আজকে নিয়ম রক্ষার ম্যাচে বিরাট কোহলির ক্যামিওতে ১০১ রানের বড় জয় পেয়েছে ভারত। তার অবিশ্বাস্য সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়েছে ভারত।

বৃহস্পতিবার দুবাই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ২১২ রানের বিশাল সংগ্রহ গড়েছে আগে ব্যাট করতে নামা ভারত। নিয়ম রক্ষার ম্যাচে ১১টি টার ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৫৩ বলে ব্যক্তিগত শতরান পূর্ণ করেন বিরাট কোহলি।

২১২ রানের বিশাল টার্গেটের জবাব দিতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়ে আফগানিস্তান। দুই ওপেনার হজরতউল্লাহ জাজাই ও রহমানউল্লাহ গুরবাজ ভুবনেশ্বর কুমারের বলে ফিরেছেন শূন্য রানে। তাদের হয়ে একাই লড়েছেন ইব্রাহিম জাদরান। শেষ অবধি অপরাজিত থাকা এই ব্যাটার করেছেন ৪ চার ও ২ ছক্কায় ৫৯ বল খেলে ৬৪ রান।

দলের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান এসেছে ১০ নম্বরে খেলতে নামা মুজিব উর রহমানের ব্যাটে। ১৩ বলে ১৮ রান করেছেন তিনি। এছাড়া দুই অঙ্ক পাড় করতে পারা রশিদ খান করেছেন ১৫ রান। ভারতের হয়ে ৪ ওভার হাত ঘুরিয়ে এক মেডেনসহ ৪ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়েছেন ভুবনেশ্বর।

এর আগে, রোহিত শর্মার বদলে অধিনায়ক হওয়া লোকেশ রাহুলের ওপেনিং পার্টনার বিরাট- দুইজনই দুর্দান্ত ব্যাটিং করে ম্যাচের শুভ সূচনা করে। পাওয়ার প্লেতে আসে ৫২ রান। ৩২ বলে ক্যারিয়ারের ৩২ নম্বর ফিফটি পূরণ করেন কোহলি। আর লোকেশ রাহুল ফিফটি করেন ৩৬ বলে। ১৩ তম ওভারে ফরিদ আহমেদ ১১৯ রানের এই জুটিতে ভাঙন ধরান। ৪১ বলে ৬ চার ২ ছক্কায় ৬২ রান করে নাজিবুল্লাহ জারদানের তালুবন্দি হন লোকেশ রাহুল।

এরপর সূর্যকুমার যাদব এসে ফরিদ আহমেদকে একটি ছক্কা মেরে পরের বলেই বোল্ড হয়ে যান। দারুণ খেলছিলেন কোহলি। ১৬তম ওভারের শেষ বলে রশিদ খানকে মারা ছক্কাটা ছিল দেখার মতো। ১৯তম ওভারে আফগান পেসার ফরিদ আহমেদকে পরপর দুই বলে চার এবং ছক্কা মেরে ৫৩ বলে টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি তুলে নেন কোহলি। ইনিংস শেষে অপরাজিত থাকেন ৬১ বলে ১২২ রানে। তার ইনিংসে ছিল ১২টি চার এবং ৬টি ছক্কার মার।