ঢাকা, বুধবার, ২৮শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

করোনার অ্যান্টিবডি স্থায়ী হয় কমপক্ষে ৩ মাস

কোভিড ১৯-এ সংক্রমিত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি কমপক্ষে তিন মাস স্থায়ী হয় বলে গবেষকরা দাবি করছেন।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার পর শরীরে তৈরি হওয়া অ্যান্টিবডি কত দিন স্থায়ী হয়, তা নিয়ে সম্প্রতি দুটি গবেষণার ফলে এ তথ্য পাওয়া গেছে। খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের

‘সায়েন্স ইমিউনোলজি’ সাময়িকীতে গত বৃহস্পতিবার গবেষণাসংক্রান্ত দুটি নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।

দুটি গবেষণায় ৭৫০ জনের বেশি রোগী যুক্ত ছিল। গবেষণা দুটিতে ইমিউনোগ্লোবুলিন জি (আইজিজি) উপস্থিতির বিষয়টি নির্দেশ করে। সংক্রমণ শুরুর পর থেকে অ্যান্টিবডি ভালোভাবে দেখা দিতে শুরু করে এবং দীর্ঘস্থায়ী হয়।

গবেষকরা দেখেছেন, আইজিজি অ্যান্টিবডি দুটি লক্ষ্যে কাজ করে। একটি হচ্ছে স্পাইক প্রোটিনের ওপর, যা বিভিন্ন কোষকে সংক্রমিত হতে সাহায্য করে। আরেকটি হলো রিসেপ্টর বাইন্ডিং ডোমেইন (আরবিডি), যা একটি স্পাইকের অংশ। এ ক্ষেত্রে অ্যান্টিবডি ১০০ দিনের বেশি দীর্ঘস্থায়ী হয়।

কোভিড-১৯ অ্যান্টিবডির ক্ষেত্রে সুরক্ষাসংক্রান্ত প্রভাবের বিষয়টি এখনও সম্পূর্ণ পরিষ্কার নয়। তবে গবেষণা প্রবন্ধের সহলেখক টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জেন গেমারম্যান বলেন, তার দলটি নিরপেক্ষ অ্যান্টিবডিগুলোর স্তরও খুঁজে পেয়েছিল, যা ভাইরাসকে নিষ্ক্রিয় করে। এ অ্যান্টিবডি খুব স্থিতিশীল বলে মনে হয়েছিল।

হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের আরেকটি গবেষণাতেও একই ফল পাওয়া গেছে।