ঢাকা, বুধবার, ২১শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৫ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ

তাইওয়ান প্রণালিতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজ

যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে তাইওয়ান প্রণালীকে অস্থিতিশীল করার অভিযোগ তুলেছে চীন। সেই সঙ্গে প্রণালীতে মার্কিন যুদ্ধজাহাজের উপস্থিতির কারণে ওয়াশিংটনকে ভয়াবহ পরিণতির ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে দেশটি।

তবে প্রণালী এলাকায় নিজেদের যুদ্ধজাহাজের নিয়মিত যাত্রা বলে দাবি করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। বৃহস্পতিবার বেইজিং বলেছে, ওয়াশিংটন এ অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে বিনষ্ট করছে। এএফপি ও আলজাজিরা।

তাইওয়ান প্রণালী এবং এর আশপাশের এলাকার একচ্ছত্র মালিকানা দাবি করে চীন। গত কয়েক মাসে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, হংকংয়ের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে বেইজিংয়ের সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে। স্ব-শাসিত তাইওয়ানও এ দুই দেশের দীর্ঘদিনের উত্তেজনার অন্যতম উৎস। মার্কিন প্রশান্ত মহাসাগরীয় সামরিক বহরের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ১৪ অক্টোবর ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ব্যারি তাইওয়ান প্রণালী অতিক্রম করেছে। এই যুদ্ধজাহাজের তাইওয়ান প্রণালী অতিক্রম সেখানে অবাধ এবং উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের প্রতি মার্কিন প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে। পরদিনই এক বিবৃতিতে এ বিষয়ে হুশিয়ারি দেন চীনের পূর্বাঞ্চলীয় থিয়েটার কমান্ডের মুখপাত্র জাং চুনহুই। তিনি বলেন, বুধবার বেইজিং তাইওয়ান প্রণালীতে একটি মার্কিন ডেস্ট্রয়ার দেখতে পেয়ে সেটি পর্যবেক্ষণ করেছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এই অঞ্চলের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বিনষ্ট করছে। এদিকে সেনা সদস্যদের সব মনোযোগ এবং শক্তি যুদ্ধ প্রস্তুতিতে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

মঙ্গলবার একটি ঘাঁটি পরিদর্শনের সময় সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেন তিনি। করোনা মহামারী, বাণিজ্যযুদ্ধসহ নানা ইস্যুতে কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে উত্তেজনা চলছে। এছাড়া তাইওয়ান এবং দক্ষিণ চীন সমুদ্র ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও বেইজিংয়ের মধ্যে বিভেদ দিন দিন বাড়ছেই। এমন প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার গুয়াংডংয়ের চ্যাওঝু শহরের একটি সেনা ঘাঁটি পরিদর্শন করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ওই সময় সেনা সদস্যদের যুদ্ধ প্রস্তুতির নির্দেশ দিয়ে তাদের চরম অনুগত, চরম দেশপ্রেমিক এবং চরম বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠার আহ্বান জানান তিনি।

চীনাদের গড় আয়ু বেড়ে ৭৭.৩ বছর : বর্তমানে চীনাদের গড় আয়ু বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭.৩ বছর। ২০১৫ সালের তুলনায় যা ০.৯৬ শতাংশ বেশি। সম্প্রতি চীনের জাতীয় স্বাস্থ্য কমিশনের (এনএইচসি) এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গড় আয়ু বৃদ্ধির এ ঘটনাকে মেডিকেল ও স্বাস্থ্য খাতে চীনের ১৩তম পাঁচ বছরমেয়াদি পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন হিসেবে উল্লেখ করেছে দেশটির সরকার।