ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৬শে মে, ২০২২ খ্রিস্টাব্দ, ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ

নারায়ণগঞ্জ সিটিতে ভোটগ্রহণ শুরু

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এ নির্বাচনে মেয়র পদে ৭ এবং সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৮ ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর পদে ৩৪ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মেয়র প্রার্থীরা হলেন- আওয়ামী লীগের সেলিনা হায়াৎ আইভী (নৌকা), স্বতন্ত্র প্রার্থী তৈমুর আলম খন্দকার (হাতি), খেলাফতে মজলিশের এ বি এম সিরাজুল মামুন (দেয়াল ঘড়ি), ইসলামী আন্দোলনের মাওলনা মো. মাসুম বিল্লাহ (হাতপাখা), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল ইসলাম (ঘোড়া), খেলাফত আন্দোলনের মো. জসীম উদ্দিন (বটগাছ) ও কল্যাণ পার্টির মো. রাশেদ ফেরদৌস (হাত ঘড়ি)।

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন গঠিত হওয়ার পর এটি তৃতীয় নির্বাচন। মোট ভোটার রয়েছেন পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৩৫৭ জন। দুই লাখ ৫৯ হাজার ৮৪৬ জন পুরুষ ও দুই লাখ ৫৭ হাজার ৫১১ জন নারী। এ ছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের চার জন ভোটার রয়েছেন।

নগরীর ২৭টি ওয়ার্ডের ১৯২টি কেন্দ্রের ১ হাজার ৩৩৩টি কক্ষে ভোটগ্রহণ চলছে। এ জন্য নারায়ণগঞ্জে দুই হাজার ৯১২টি ইভিএম মেশিন আনা হয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে প্রয়োজনের তুলনায় দেড়গুণ ইভিএম রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহ বলেন, সবগুলো কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচনায় রেখে সব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন পরিচালনা করতে আইনশৃঙ্খলা রখাকারী বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন পরিচালনায় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে রয়েছেন ৯ জন। তারা হলেন- জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মতিয়ুর রহমান, রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, বন্দর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল কাদির, সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আফরোজা খাতুন, সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইউসুফ উর রহমান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ের নির্বাচন কর্মকর্তা প্রতিভা বিশ্বাস, আড়াইহাজার উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সুলতানা এলিন, কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ ও ডেমরা থানা নির্বাচন কর্মকর্তা আল-আমিন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে ১৯২টি ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাঁচ হাজারের বেশি সদস্য নিয়োজিত আছেন। পুলিশের ২৭ ইউনিট স্ট্রাইকিং ফোর্স, র‍্যাবের স্ট্রাইকিং ফোর্স ৩, চেকপোস্টে ছয়, টহলে সাত ও দুটি স্ট্যাটিক টিম আছে। এছাড়া আছে ২০ প্লাটুন বিজিবি। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ১৪ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়। এছাড়া ২৭টি ওয়ার্ডে থাকবেন ২৭ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।