লক্ষ্মীপুরের চরাঞ্চলে এক বছরে ৩০ কোটি টাকার সবজি চাষ !

মঙ্গলবার, ২১ জানুয়ারি ২০২০ | ১:৫৯ অপরাহ্ণ | 16 বার

লক্ষ্মীপুরের চরাঞ্চলে এক বছরে ৩০ কোটি টাকার সবজি চাষ !

লক্ষ্মীপুরের চরাঞ্চলে বেগুন, ফুলকপি,পাতাকপি, গাজর, চিচিঙ্গা, সিম ও মূলাসহ বিভিন্ন রকমের সবজি চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অন্য ফসলের চেয়ে লাভজনক হওয়ায় দিন দিন সবজি চাষে ঝুঁকছে এ অঞ্চলের কৃষকরা।

জেলার চাহিদা মিটিয়ে এখানকার সবজি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো হচ্ছে। একই সাথে সবজি ফলন ভালো হওয়ায় ও দামও অনেক ভালো পাওয়ায় খুশি তারা।

এ বছর চরাঞ্চলে সবজি বিক্রির বাজার মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা বলে জানিয়েছেন জেলা কৃষি বিভাগ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে লক্ষ্মীপুরের কৃষকরা শীতের শুরুতে আগাম জাতের চিচিঙ্গা চাষ করেন। সদর উপজেলার চররমনী মোহন, ভবানীগঞ্জ, পিয়ারাপুর, টুমচর, মিয়ার বেড়ী ও মজুচৌধুরীর হাট এলাকাসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ মাঠ জুড়ে বেগুন, ফুলকপি, পাতাকপি, গাজর, চিচিঙ্গা, সিম ও মূলাসহ বিভিন্ন রকমের সবজি আবাদের দৃশ্য চোখে পড়ার মত। দেশীয় জাতের বাইরে এখানে হাইব্রিড জাতের বেগুন, গাজর, সিম ও মূলাসহ বিভিন্ন রকমের সবজি চাষ হয়।

কৃষি অফিস সূত্র জানায়, চরাঞ্চলের প্রতি হেক্টর জমিতে সাড়ে ৯-১০ মেট্রিক টন সবজির ফলন হয়েছে। বর্তমানে প্রতি কেজি ৩০-৪০ টাকা হারে খেতেই পাইকারি দরে বিক্রি হচ্ছে। প্রায় ৫শ হেক্টর জমিতে এবার চিচিঙ্গা, সিম ও মূলাসহ বিভিন্ন রকমের সবজি আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০ হাজার মেট্রিক টন। যার বাজার মূল্যে প্রায় ৩০ কোটি টাকা।

উন্নত জাতের বীজ, সময় মতো সার ও কীটনাশক প্রয়োগে ও আবহাওয়া অনূকুলে থাকায় এবার সবজির ভালো ফলন হয়েছে। বর্তমানে খেত থেকে সবজি তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা।

প্রতি হেক্টর জমিতে চিচিঙ্গা, সিম ও মূলাসহ বিভিন্ন রকমের সবজি চাষ করতে খরচ হয় ৪-৫ লাখ টাকা। কিন্তু ভালো ফলন হলে বাজারে দাম পাওয়া যায় ৬-৭ লাখ টাকা। গত বছর অনেক লোকসান হয়েছে। এবার ফলন ভালো হওয়ায় গতবারের লোকসান কাটিয়ে উঠতে পাররে বলে আশা করছেন চাষিরা।

লক্ষ্মীপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক কিশোর কুমার মজুমদার জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আগাম জাতের বেগুন, ফুলকপি, পাতাকপি, গাজর, চিচিঙ্গা, সিম ও মূলাসহ বিভিন্ন রকমের সবজি ফলন ভালো হয়েছে। দামও অনেক ভালো। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩০ কোটি টাকা।

কৃষকদের সঠিক পরামর্শ দেয়ায় ফলন ভালো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মিয়ানমারে ভারতীয় সাবমেরিন : বদলে যাচ্ছে দৃশ্যপট

Design & Developed by: Ifad Technology